নাটোরের প্রত্যন্ত এলাকার শতবর্ষী গাছি পরিবার থেকে সরাসরি — রাসায়নিকমুক্ত খাঁটি খেজুরের গুড়
নাটোরের গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে খেজুর গাছের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত মাটি ও শীতের আবহাওয়া। এখানকার গাছিরা পুরুষানুক্রমে এই কাজ করে আসছেন।
আমাদের গাছিরা প্রতিদিন ফজরের আগেই উঠে গাছে চড়েন, তাজা রসের হাঁড়ি নামান। সেই রস সরাসরি কাঠের চুলায় জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি হয় — কোনো রাসায়নিক ছাড়াই। এই পদ্ধতি শতবর্ষ ধরে একইরকম।
আমরা সরাসরি এই গাছি পরিবারগুলোর সাথে কাজ করি — কোনো মধ্যস্বত্বভোগী নেই। ফলে আমাদের গাছিরা ন্যায্য দাম পান, আর আপনি পান সতেজ, খাঁটি গুড়।
৫০০+
পরিবারে পৌঁছেছি
৩০+
বছরের গাছি অভিজ্ঞতা
৩ মাস
মৌসুমি উৎপাদন
বাজারে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ গুড়েই চিনি, স্যাকারিন ও রাসায়নিক রং মেশানো থাকে। আমাদের খাঁটি খেজুর গুড় চেনার তিনটি সহজ উপায়।
রং
আমাদের গুড়ের রং গাঢ় খয়েরি থেকে কালচে। হলদে বা উজ্জ্বল রঙের গুড় মানেই রং মেশানো।
গন্ধ
আমাদের খেজুর গুড়ে একটি স্বতন্ত্র মিষ্টি সুবাস আছে। ভেজালে কোনো গন্ধ থাকে না।
স্বাদ
খাঁটি গুড়ে মিষ্টির সাথে হালকা তেতো আভা থাকে — এটাই আসল খেজুর রসের চিহ্ন।
💡 ঘরে পরীক্ষার উপায়
এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে একটু গুড় ফেলুন। খাঁটি গুড় ধীরে গলবে এবং পানি হালকা বাদামি হবে। ভেজাল গুড় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পানি হলদে হয়।ফজরের আগে রস কাটা থেকে ভোরে গুড় জমানো পর্যন্ত
ভিডিও শীঘ্রই আসছে
শক্ত চাকা গুড়। পিঠা, পায়েস ও মিষ্টিতে আদর্শ। দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
নিরাপদ ক্যাশ অন ডেলিভারি
পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দিন। আগে কোনো পেমেন্ট নয়।
ফজরের আগে ওঠেন গাছিরা
আমাদের গাছিরা প্রতিদিন ফজরের আগেই উঠে গাছে চড়েন। এই নিরলস পরিশ্রমের ন্যায্য মজুরি দামে প্রতিফলিত।
কোনো রাসায়নিক নেই
চিনি, স্যাকারিন বা রং কিছুই মেশানো হয় না। তাই পরিমাণে কম হয়, কিন্তু গুণমান শতভাগ।
মাত্র তিন মাসের ফসল
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি — এই সীমিত মৌসুমেই পুরো বছরের গুড় তৈরি হয়।
মধ্যস্বত্বভোগী নেই
আমাদের গাছি পরিবার থেকে সরাসরি আপনার কাছে। কোনো দালাল নেই — তাই গাছি পরিবার ন্যায্য দাম পান।
সস্তার গুড় মানেই ভেজাল। খাঁটি গুড়ের দাম একটু বেশি হবেই — এটাই বাস্তবতা।
ঢাকায় ১–২ দিন · সারা বাংলাদেশে ৩–৫ দিন · ক্যাশ অন ডেলিভারি
গত ৩ বছর ধরে প্রতি শীতে নাটোরের গুড় নিচ্ছি। এই গুড় দিয়ে পিঠা বানালে একদম আগের মতো স্বাদ হয়। বাচ্চারা আর অন্য গুড় খেতে চায় না।
রহিমা বেগম
নারায়ণগঞ্জ
নাটোরের গুরুদাসপুরের গুড়ের নাম শুনেছিলাম, এবার নিজে খেয়ে বুঝলাম কেন এত বিখ্যাত। প্যাকেজিং ভালো, গুড় তাজা।
আনোয়ার হোসেন
রাজশাহী
আর দেরি না করে এখনই অর্ডার দিন — পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দিন
অর্ডার করুন →